মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে

এক নজরে ঝিনাইদহ জেলা কারাগার 

ব্রিটিশ শাসন আমলে ১৮৬০ থেকে ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে বিভিন্ন জেলা ও মহকুমা সদরে কারাগার নির্মাণ করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় তৎকালীন অর্থাৎ বৃটিশ আমলে ঝিনাইদহ উপ-কারাগারটি ১৯১৮ ইং সালে ঝিনাইদহ মৌজার তৌজি নং-১৯২ খতিয়ানের ১.৫৬ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্নে এই কারাগারের ধারণ ক্ষমতা ছিল ১৫ জন পুরুষ ও ০৬ জন মহিলা মোট= ২১ জন। পরবর্তীতে ৪০ জন বন্দী ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন আরও একটি একতলা বন্দী ব্যারাক নির্মিত হয়। এর পর বন্দী সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৯৮০-৮১ ইং অর্থ বছরে পুরাতন পেরিমিটার ওয়ালের  বাইরের বর্ধিতাংশে নতুন পেরিমিটার ওয়াল নির্মাণ করে সম্প্রসারিত নতুন জেল এলাকায় ১০০ জন বন্দী ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন চারতলা বিশিষ্ঠ একটি বন্দী ব্যারাক ভবন নির্মাণ করা ছাড়াও কিশোর বন্দীদের রাখার জন্য ১৪ জন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন একতলা বিশিষ্ট পৃথক একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের পর কারাগারের ধারণ ক্ষমতা ১৬৯ জন পুরুষ ও ৬ জন মহিলা মোট ১৭৫ জন। ১৯৯৮ সালে একই স্থাপনা ও জনবলের উপ-কারাগারটিকে জেলা কারাগারে উন্নীত করা হয়। পুরাতন কারাগারটি অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত হওয়ায় ১৭৫ জন বন্দীর স্থলে ৮০০ শতাধিক বন্দী অবস্থান করতে থাকে। ১৯৯৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেত্বত্বে গঠিত সরকারের আমলে “ শুধুমাত্র শাস্তি কার্যকর করণের স্থান নয় বরং কারাগার একটি সংশোধনী প্রতিষ্ঠান” এ ধারনার বশবর্তী হয়ে দুর্ভোগ দূর্দশা লাঘবের উদ্দেশ্যে কারাগারটি বৃহৎ পরিসরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। তৎপেক্ষিতে ১৯৯৬-৯৭ অর্থ বছরে “১২ কারাগার নির্মাণ” প্রকল্পের আওতায় ঝিনাইদহ সদরে ঝিনাইদহ চুয়াডাঙ্গা সড়কের পার্শ্বে রাউতাউল মৌজার ৯.৫ একর জমির উপর (১৮০+২০)= ২০০ জন বন্দী ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ঝিনাইদহ জেলা কারাগার নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। নানা প্রতিকুলতার কারণে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে কাজ করার পর গত ২৩/০৪/২০১০ খ্রিঃ বন্দী স্থানান্তর সহ সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। গত ১০/০৭/২০১০ খ্রিঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এম পি মহোদয় কর্তৃক নব-নির্মিত জেলা কারাগারটি শুভ উদ্বোধনের মাধ্যমে কারাগারটি ইতিহাসে নব-দিগন্তের সুচনা হয়।     

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter